ICT (তথ্য ও যোগাঃ প্রঃ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ICT (তথ্য ও যোগাঃ প্রঃ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২ মার্চ, ২০১৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর -০৫

Eqra Coaching     মার্চ ০২, ২০১৮     No comments
Information Communication & Technology (ICT)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি 
৫ম অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) -০৫
০১. প্রোগামিং ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটাকে আমাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী জানানোর জন্য এক বিশেষ ধরণের ভাষা ব্যবহার হয়। এ বিশেষ ধরণের ভাষা কম্পিউটার প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে বলে একে প্রোগামিং ভাষা বা Programming Language বলে।

০২. কম্পিউটার প্রোগাম কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারে কোনো একটি বিশেষ কার্য সম্পাদন বা সমস্যা সমাধানের জন্য রচিত বা লিখিত ধারাবাহিক কতগুলো বিশেষ নির্দেশাবলী (instruction) বা কমান্ডকে কম্পিউটার প্রোগ্রাম বলে।

০৩. কম্পিউটার প্রোগামিং ভাষার কয়টি প্রজন্ম?

উত্তরঃ কম্পিউটার প্রোগামিং ভাষার ৫টি প্রজন্ম।

০৪. গঠন বিচারে ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কম্পিউটার ভাষাকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তরঃ পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।

০৫. যান্ত্রিক ভাষা কাকে বলে ?

উত্তরঃ কম্পিউটার যন্ত্রটি সরাসরি যে ভাষা বুঝতে পারে সেই ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষা বলে।

০৬. নিম্নস্তরের ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ যান্ত্রিক ভাষায় শুধুমাত্র ০ ও ১ দিয়ে লেখা হয়, সেজন্য যান্ত্রিক ভাষাকে নিন্মস্তরের ভাষা বলা হয়।

০৭. কিসের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের ভাষা লেখা হয়?

উত্তরঃ বাইনারি ১ দ্বারা বিদ্যুত আছে (on) এবং ০ দ্বারা বিদ্যুৎ নেই (off) এর উপর ভিত্তি করেই কম্পিউটারের ভাষা তৈরি করা হয়।

০৮. কবে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন হয়?

উত্তরঃ ১৯৫০ সাল থেকে।

০৯. অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম নির্বাহ প্রক্রিয়া কেমন ?

উত্তরঃ অ্যাসেম্বলি ভাষা প্রোগ্রাম → অ্যাসেম্বলার → অবজেক্ট প্রোগ্রাম।

১০. উচ্চস্তরের ভাষার নাম লেখ।

উত্তরঃ BASIC, COBOL, C, C++, PASCAL, FORTRAN ইত্যাদি।

১১. সি (C) কী?

উত্তরঃ উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা ।

১২. C++ কী?

উত্তরঃ অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ভাষা।

১৩. কে C++ ডেভেলপ করেন?

উত্তরঃ বিয়ার্নে স্ট্রোভস্ট্রুপ।

১৪. ভিজুয়াল বেসিক কী?

উত্তরঃ তৃতীয় প্রজন্মের ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং ভাষা।

১৫. IDE এর পূর্ণরূপ কী ?

উত্তরঃ Integrated Development Environment

১৬. জাভা কী ?

উত্তরঃ জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা।

১৭. ওরাকল কী ?

উত্তরঃ এটি একটি ডেটাভেজ মেনেজমেন্ট সফটওয়্যার।

১৫.ওরাকল কারা উন্নয়ন করেন কারা ?

উত্তরঃ Software Development Labratories প্রতিষ্ঠান।

১৮. অ্যালগল কী ?

উত্তরঃ একটি উচ্চস্তরের ভাষা।

১৯. ALGOL এর পূর্ণরূপ লেখ ?

উত্তরঃ Algorithmec Language

২০. ফোরট্রান কী ?

উত্তরঃ ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।

২১.ফোরট্রান তৈরি করেন কে ?

উত্তরঃ জন বাকস ও অন্যান্য আইবিএম-এ কর্মরত অবস্থায় ১৯৫০ সালে এর দশকের মাঝামাঝি ফোরট্রান তৈরি করেন।

২২. পাইথন কী ?

উত্তরঃ পাইথন হল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।

২৩. পাইথন তৈরি করেন কে ?

উত্তরঃ ১৯৯১ সালে Gudio Van Rossum তৈরি করেন।

২৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ একটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বলা হয়।

২৫. উৎস প্রোগ্রাম কাকে বলে ?

উত্তরঃ উচ্চস্তরের এবং অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগামকে উংস প্রোগ্রাম ভাষা বলে।

২৬. অনুবাদক প্রোগ্রাম কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে প্রোগ্রাম কম্পিউটারের উৎস প্রোগ্রাম (যে ভাষায় প্রোগ্রামটি লেখা হয়) কে যন্ত্র ভাষায় অনুবাদ করে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তর করে সে প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। যেমন কিউবেসিকে একটি প্রোগ্রাম লেখা হলো কিন্তু কম্পিউটার এ প্রোগ্রামটি বুঝবে না, এ প্রোগ্রামটিকে অনুবাদ করে মেশিনের ভাষায় (বাইনারিতে) বুঝিয়ে দিতে হয়। এ অনুবাদের কাজে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

২৭. অনুবাদক প্রোগ্রাম কয় প্রকার ?

উত্তরঃ তিন প্রকার।
ক. অ্যাসেম্বলার
খ. কম্পাইলার
গ. ইন্টারপ্রেটার

২৮. অ্যাসেম্বলার কী?

উত্তরঃ ইহা অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে। এটি কোন কাজের সংক্ষিপ্ত শব্দ দ্বারা প্রোগ্রাম রচনা করা হয়।

২৯. অ্যাসেম্বলারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে অ্যাসেম্বলারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ
১. নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।
২. প্রত্যেক নির্দেশ ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করা, ঠিক না থাকলে ঠিক করা।
৩. সব নির্দেশ ও ডাটা প্রধান মেমরিতে রাখে।

৩০. কম্পাইলার কী?

উত্তরঃ কম্পাইলার উচ্চ স্তরের ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করে। কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে এক সঙ্গে পড়ে এবং এক সঙ্গে অনুবাদ করে। ভিন্ন ভিন্ন উচ্চ স্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার লাগে। কোনো নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় পরিণত করতে পারে। যেমন যে কম্পাইলার BASIC কে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে পারে তা FORTRAN কে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে পারে না।

৩১. কম্পাইলারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে কম্পাইলারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ
১. উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করা।
২. প্রোগ্রামকে লিংক করা।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
৪. প্রয়োজনে বস্তু বা উৎস প্রোগ্রামকে প্রিন্ট করা।

৩২. ইন্টারপ্রেটার কী?

উত্তরঃ ইহা ব্যবহারে প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন করা ও প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা সহজ হয়। কারণ ইন্টারপ্রিটারের প্রোগ্রাম আকারে ছোট বলে মেমরি বাঁচে। তাছাড়া ছোট কম্পিউটারে ইন্টারপ্রিটার ব্যবহৃত হয়। ইহা এক লাইন করে পড়ে ও অনুবাদ করে।

৩৩. ইন্টারপ্রেটারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে ইন্টারপ্রেটারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ
১. উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করা।
২. ইহা এক লাইন পড়ে ও অনুবাদ করে।
৩. ইহা প্রতিটি লাইনের ভুল প্রদর্শন করে অনুবাদ কাজ বন্ধ করে দেয়।
৪. ডিবাগিং ও টেস্টিংয়ের ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ করে।

৩৪. অ্যালগরিদম কাকে বলে?

উত্তরঃ বিশিষ্ট গনিতবিদ আল খার‌িজমীর নাম থেকে অ্যাগরিদম কথাটির উৎপত্তি হয়েছে।কোন সমস্যা সমাধানের ধাপসমূহকে ভাষাগতভাবে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে। সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম রচনার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় অংশের নাম অ্যালগরিদম।প্র্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ থাকে অ্যালগরিদমে।

৩৫. অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট দেওয়া হলোঃ
১। সহজবোধ্য হবে
২। কাজের উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হতে হবে
৩। প্রত্যেকটি ধাপে স্পষ্ট হবে যাতে যেকোন প্রোগ্রামার সহজে বুজতে পারে
৪। ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে
৫। প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় করা সম্ভব হবে
৬। প্রোগ্রাম পরিবর্তন ও পরিবর্ধনে সহায়তা করবে

৩৬. ফ্লোচার্ট কী?

উত্তরঃ ফ্লোচার্ট হচ্ছে এক ধরণের রেখাচিত্র যার সাহায্যে একটি এলগরিদম বা প্রক্রিয়াকে প্রকাশ করা যায়।

৩৭. ফ্লোচার্ট কয় প্রকার ?

উত্তরঃ ২ প্রকার।
ক. সিস্টেম ফ্লোচার্ট
খ. প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট।

৩৮. সিস্টেম ফ্লোচার্ট কাকে বলে ?

উত্তরঃ কোন সংগঠনের সকল কাজের একটি চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করলে তাকে সিস্টেম ফ্লোচার্ট বলা হয়।

৩৯. প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট কী?

উত্তরঃ কোন প্রোগ্রামের এলগরিদম রেখাচিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করাকে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট বলে।

৪০. ডিবাগিং কাকে বলে ?

উত্তরঃ প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলে।

৪১. ডকুমেন্টশন কাকে বলে ?

উত্তরঃ ভুল সংশোধনের পর প্রোগ্রাম ঠিকমতো কাজ করলে তা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষন করে রাখতে হয়। আর এই সংরক্ষনকে প্রোগ্রাম ডকুমেন্টশন বলে।

৪২. প্রয়োগের ভিত্তিতে উচ্চ স্তরের ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?

উত্তরঃ ২ভাগে ভাগ করা যায়।

৪৩. প্রোগ্রামে কয় ধরনের ভুল হয় ?

উত্তরঃ ৩ ধরনের ভুল হয়।
ক. সিনটেক্স ভুল
খ. লজিক্যাল ভুল
গ. তথ্য ভুল।

৪৪.সিনটেক্স ভুল কী?

উত্তরঃ সাধারণত প্রোগ্রামের ভাষার ব্যাকরণগত ভুলগুলোকে সিনটেক্স ভুল (Syntax Error) বলে। যেমনঃ বানান ভুল, কমা, ব্রাকেট না দেওয়া।

৪৫.যুক্তিগত ভুল কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে যুক্তিগত যে সমস্ত ভুলগুলো থাকে সেগুলোকে যুক্তিগত ভুল (Logical Error) বলা হয়।

৪৬.তথ্য ভুল কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে তথ্য (information) সংক্রান্ত যে সমস্ত ভুলগুলো থাকে সেগুলোকে তথ্য ভুল (information Error) বলা হয়।

৪৭. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং কী ?

উত্তরঃ স্ট্রাকচার প্রোগ্রামিং হলো একটি প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেনিতে বিভক্ত করে লেখা। স্ট্রাকচার প্রোগ্রামের সংগঠনের একটি মূল অংশ।

৪৮. ভিজুয়্যাল ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কী?

উত্তরঃ ভিজুয়্যাল প্রোগ্রাম হলো এটাও GUI (Graphical User Interface) এ তৈরী করার প্রোগ্রাম।

৪৯. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামিং মডেলগুলোর মধ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মডেল নতুন এবং জনপ্রিয়।অবজেক্ট বা চিত্রভিত্তিক কমান্ডের সাহায্যে চালিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বলা হয়।

৫০. ইভেন্ট কী?

উত্তরঃ কী-বোর্ডের কোনো কী-তে চাপ দেওয়া, কোনো বিশেষ কন্ট্রোলের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করা ইত্যাদি হলো ইভেন্ট।

৫১. ডেটা টাইপ কী?

উত্তরঃ ডেটার ধরনকে ডেটা টাইপ বলা হয়। C প্রোগ্রামিং এ বিভিন্ন প্রকার ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়।

৫২. ইউনারি অপারেটর কী ?

উত্তরঃ যে সকল অপারেটর একটি মাত্র অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদের ইউনারি অপারেটর বলে।

৫৩. বাইনারি অপারেটর কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে সব অপারেটর দুইটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদেরকে বাইনারি অপারেটর বলে ।

৫৪. কী ওয়ার্ড কী ?

উত্তরঃ বিশেষ কাজে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত শব্দগুলে কে কী ওয়ার্ড বলে।

৫৫. স্টেটমেন্ট কী ?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে কোন এক্সপ্রেশনের শেষে যখন সেমিকোলন (;) দেওয়া হয়, তখন প্রোগ্রামের ভাষায় একে স্টেটমেন্ট বলা হয়।

৫৬. স্ট‌েটমেন্ট কত প্রকার ?

উত্তরঃ স্টেটমেন্ট ২ প্রকার।

৫৭. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট কাকে বলে ?

উত্তরঃ পোগ্রামে শর্ত সাপেক্ষে কোন স্টেটমেন্ট সম্পাদনের জন্য কন্ডিশনাল কন্ট্রোল ব্যবহার হয়। এরূপ শর্ত যুক্ত স্টেটমেন্টকে কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট বলে।

৫৮. অ্যারে কী?

উত্তরঃ অ্যারে হলো একই ধরনের ডেটার সমাবেশ। কতকগুলো ভেরিয়েবল ডেটা উপাদানের সমষ্টিকে অ্যারে বলে। অ্যারে শব্দের অর্থ হলো শ্রেণী বা বিন্যাস। একই জাতীয় বা সমজাতীয় ডেটার বিন্যাসকে বলা হয় অ্যারে।

৫৯. একমাত্রিক অ্যারে কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে অ্যারেতে একটি মাত্র কলাম ও একাদিক সারি অথবা একটি মাত্র সারি এবং একাদিক কলাম উপস্থাপন করা হয় তাকে একমাত্রিক অ্যারে বলা হয়।

৬০. দ্বিমাত্রিক অ্যারে কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে অ্যারেতে একাদিক সারি ও একাদিক কলামে ডেটা উপস্থাপন করা হয় তাকে দ্বিমাত্রিক অ্যারো বলা হয়।

৬১. ফাংশন কাকে বলে ?

উত্তরঃ বড় কোন প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করার পদ্ধতিকে ফাংশান বলে।

৬২. লাইব্রেরি ফাংশন কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে ফাংশন পূর্ব থেকে তৈরি করা থাকে এবং ফাংশনগুলো ফাংশন প্রোটোটাইপ বিভিন্ন হেডার ফাইলে দেওয়া থাকে। এ ধরনের ফাংশনগুলোকে লাইব্রেরি ফাংশন বলে।

৬৩. প্রোগ্রাম কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার হলো কতগুলো ধারাবাহিক নির্দেশনা যা একটি কম্পিউটারকে কোন কাজ সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ দিয়ে থাকে। একটি কম্পিউটার অনেক বড় এবং জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারে। সঠিকভাবে কাজ করার জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নির্দেশনা সেটকে প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার বলে।

৬৪. প্রোগ্রামের ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ কম্পিউটার মানুষের ব্যবহুত ভাষা বুঝতে পারে না। যে বোধগম্য ভাষার কোন নিদিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশনা প্রধান করা হয় ,তাকে প্রোগ্রাম ভাষা বলে।

৬৫. মেশিন ভাষা কাকে বলে ?

উত্তরঃ অতীতে কম্পিউটার আকৃতি ছিল খুব বড় এবং তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ছিল না। এক্ষেত্রে কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং করার ক্ষেত্রে দ্বিমুখী সুইচ ব্যবহার করা হতো। এ সময় প্রোগ্রাম ব্যবহারের কোনো সুবিধা ছিলো না , সম্পূর্ন হার্ডওয়ার প্রযুক্তিতে কম্পিউটার প্রোগামিং করা হতো। পরবর্তিতে কম্পিউটারের জন্য ১ এবং ০ ব্যবহার করে প্রোগামিং করা হয় যা কম্পিউটারের মেশিন ভাষা নামে পরিচিত।

৬৬. অ্যাসেম্বলি ভাষা কী ?

উত্তরঃ প্রোগ্রামিংয়ের কাজের সহজ করার জন্য মেশিন ভাষার পরে অ্যাসেম্বলি ভাষার উদ্ভব ঘটে। অ্যাসেম্বলি ভাষাকে দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বা সাংকেতিক ভাষাও বলা হয়। ১৯৫০ সালে অ্যাসেম্বলি ভাষা চালু হয়। এতে প্রোগ্রাম লেখার কাজ অনেক সহজ হয়।

৬৭. মধ্য স্তরের ভাষা কী?

উত্তরঃ ১৯৬০ সালের দিকে ইংরেজী ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম রচনার করার জন্যে যে ভাষা আবিষ্কৃত হয় তা মধ্য স্তরের ভাষা নামে পরিচিত।

৬৮. উচ্চ স্তরের ভাষা কী?

উত্তরঃ উচ্চ স্তরের ভাষা হলো ইংরেজী ভাষা এবং আরো বেশি কাঠামোবদ্ধ। উচ্চ স্তরের ভাষা আমেরিকান ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড ইন্সটিটিউটের নির্দেশ মেনে বেশির ভাগ উচ্চ স্তরের ভাষা তৈরী হয়। উচ্চস্তরের ভাষা সহজে লেখা যায়, সংকলন করা যায় এবং ভুল সংশোধন করা যায়। উচ্চস্তরের ভাষায় বৈশিষ্ঠ্য হল ইহা বানিজ্যিক ও বৈজ্ঞান‌িক প্রয়োগের ভাষা। এটা বহু প্রয়োগ ও চতুর্থ প্রজন্ম ভাষা। তাই উচ্চস্তরের ভাষাকে বহু প্রয়োগের ভাষা বলা হয়।

৬৯. সি কী?

উত্তরঃ সি হলো উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা। ১৯৬৯-১৯৭৩ সালে Dennis Ritchie সি প্রোগ্রাম ভাষার উদ্ভাবন করেন। কম্পিউটারের প্রোগ্রাম লেখার ক্ষেত্রে সহজভাবে ব্যবহার করা যায়। গঠনতান্ত্রিক প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সি প্রোগ্রাম ভাষা ব্যবহার করা হয়।

৭০. সি++ কী?

উত্তরঃ সি++ হলো উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা। সি প্রোগ্রামের মতো সি++ ভাষার বৈশিষ্ট্য হলো এটা বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা। এটি বহু প্রয়োগের ভাষা। ইহা উচ্চস্তরের ভাষা। এ ভাষার কম্পাইলড কোড মেশিন নির্ভর ও নয়।

৭১. জাভা কাকে বলে?

উত্তরঃ জাভা হলো উচ্চস্তরের ভাষা। এ ভাষার মূল বৈশিষ্ঠ্য হলো কম্পাইলড কোড মেশিন নিভর। সি++ প্রোগ্রামের মতো জাভা ভাষার বৈশিষ্ঠ্য হলো ইহা বাণ‌িজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা।

৭২. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা কী?

উত্তরঃ বিজ্ঞানীগণ কম্পিউটারের ভাষা উন্নতির জন্য অবিরত চেষ্টা করে চলছেন। তাদের অবিরত চেষ্টার ফসল হলো চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে 4GL, ফক্স প্রো, ভিজুয়্যাল বেসিক, কোবল, এম এস এক্সেস, এস.কিউ,এল. এ সব প্রোগ্রামগুলো চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা নামে পরিচিত। এ সব ভাষায় ডাটাবেজ কুয়েরী, অনুসন্ধান, সাজানো এবং প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সুবিধা লাভ করা যায়।

৭৩. প্রোগ্রাম তৈরীর ধাপসমূহ কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের সাহয্যে কোন বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্যে কতকগুলো পদক্ষেপ নিতে হয় এ পদক্ষেপ সমূহকে প্রোগ্রাম তৈরীর ধাপ বলে।

৭৪. প্রোগ্রামের ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের তার নিজের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ দানের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত বর্ণ, শব্দ, সংকেত ইত্যাদি বিন্যাসই হচ্ছে প্রোগ্রাম। এ সংকেত, বর্ণ, শব্দ এগুলোর বিন্যাসকেই এক সাথে বলা হয় প্রোগ্রামের ভাষা।

৭৫. ধ্রুবক কাকে বলে?

উত্তরঃ ধ্রুবক বলতে এমন কোনো মানকে বোঝানো হয়েছে যা প্রোগ্রাম করার পর পরিবর্তন করা যায় না। অর্থাৎ ’সি’ প্রোগ্রামিংয়ের প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় যে সকল মানের কোনো পরিবর্তন হয়না তাকে ধ্রবক বলে।

৭৬. চলক কাকে বলে?

উত্তরঃ চলক মানে পরিবর্তনশীল। চলক বলতে এমন কোনো মানকে বোঝানো হয় যা প্রোগ্রামে চালু করার পর পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ ’সি’ প্রোগ্রামিংয়ে প্রোগ্রাম নির্বাহে সময় যে সকল মান ব্যবহারকারী প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করতে পারে তাকে চলক বলে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর -০৬

Eqra Coaching     মার্চ ০২, ২০১৮     No comments

Information Communication & Technology (ICT)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি 
৬ষ্ঠ অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর



তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) -০৬০১. ডেটাবেজ কী?

উত্তরঃ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফাইল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

০২. DBMS এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System

০৩. DBMS কী?

উত্তরঃ DBMS হলো সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ডেটাবেজ পরিচালনা, তথ্যের স্থান সংকুলান, নিরাপত্তা, ড‌েটাটাইপ, তথ্য সংগ্রহের অনুমতি ইত্যাদি নির্ধারন করা হয়।

০৪. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রোগ্রাম এর নাম লেখ?

উত্তরঃ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রোগ্রাম হলো- Microsoft Access, MySQL, SQlite, Microsoft SQL Server, Oracle, Sybas, dBASE, FoxProo, IBM DB2 ইত্যাদি।

০৫. DML এর পূর্ণরূপ লেখ?

উত্তরঃ DML এর পূর্ণরূপ Data Manipulation Language

০৬. DML কী?

উত্তরঃ ডেটাবেজ সকল তথ্য পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রনের জন্য যে ভাষা ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ বলে।

০৭. DML এর কাজ লেখ।

উত্তরঃ ডিএমএল এর সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে কোন ডেটা রিট্রিভ অথবা ডেটাবেজ নতুন কোন ডেটা অন্তর্ভুক্ত করা, ডেটা মুচে ফেলা অথবা মডিফাই ইত্যাদি করা সম্ভব।

০৮. ডেটা মেনিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ কমান্ডগুলোর নাম লেখ?

উত্তরঃ ডেটা মেনিপুলেশন ল্যাগুয়েজ কমান্ডগুলোর নাম হল-INSERT, DELETE, UPDATE, OPEN, CLOSE, FIND, MODIFY, INDEX, STORE

০৯. ডেটা টাইপ কী?

উত্তরঃ ডেটাবেজ তৈরি বা পরিবর্তনের সময় ডেটাবেজের ফিল্ডের টাইপ বা ফিল্ডে সংরক্ষিত ডেটার প্রকৃতি নির্ধারন করতে যা লাগে তাকে ডেটা টাইপ বলে।

১০. ডেটা কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ কাকে বলে?

উত্তরঃ ডেটাবেজ ব্যাবস্থাপনা বিদ্যমান প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট ডেটা আনয়ন অনুসন্ধান ও সম্পাদনার জন্য যে ভাষা ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

১১ ডেটা কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় কেন?

উত্তরঃ বিদ্যমান ডেটাবেজ থেকে কোন ডেটা বা তথ্যটি আনয়ন করতে হবে এবং কী ধরনের সম্পাদনের কাজ করতে হবে, তার জন্য কুয়েরি ভাষা ব্যবহার করা হয়।

১২. SQL এর পূর্ণরূপ লেখ

উত্তরঃ SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language

১৩. SQL এর অংশ কয়টি?

উত্তরঃ SQL এর অংশ তিনটি

১৪. SQL এর অংশ কী কী?

উত্তরঃ SQL এর মূল অংশ তিনটি। যথা- Select, Drom & Where

১৫. QUEL কী?

উত্তরঃ কতগুলো স্টেটমেন্টের সমস্টিকে QUEL বলে।

১৬. QUEL স্টেটমেন্ট কী?

উত্তরঃ QUEL এ যে সকল স্টেটম‌েন্ট ব্যবহার করা হয় তা হলো Create, Range, Index, Modify ইত্যাদি।

১৭. QBE কী?

উত্তরঃ যে পদ্ধতিতে একটি Example এর মধ্যে ব্যবহারকারী কী করতে চায় তা বর্ননা করা হয় এবং এই Example অনুসারে অন্যান্য কুয়েরি করা হয় তাকে QBE বলে।

১৮. QBE কীসের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে?

উত্তরঃ QBE ডোমেইন রিলেশনাল ক্যালকুলাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

১৯. রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী?

উত্তরঃ ডেটাবেজ উপাত্তসমূহকে বিভিন্ন সারিতে সংগঠিত করা হয় অর্থাৎ ফাইল গুলোকে শুধুমাত্র রেকর্ডেও তালিকা সারি ও কলাম বিশিষ্ট টেবিলে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের ডেটাবেজকে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে।

২০. Microsoft Access কী?

উত্তরঃ Microsoft কর্পোরেশনের একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো Microsoft Access

২১. Text ফিল্ড কী?

উত্তরঃ Text ডেটা টাইপ বিশিষ্ট ফিল্ডে অক্ষর সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

২২. কুয়েরি কাকে বলে?

উত্তরঃ ডেটাবেজে এক বা একাদিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা , প্রদর্শন করা বা ছাপানোর কার্যকরী পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।

২৩. Select Query কী?

উত্তরঃ ডেটাবেজে এক বা একাদিক ডেটা টেবিল থেকে ফিল্ডসমূহ বেছে নিয়ে যে কুযেরি তৈরি করা হয় তাকে Select Query বলে।

২৪. Action Query কাকে বলে?

উত্তরঃ টেবিলের ডেটা পরিবর্তন বা সরানোর জন্য একটি মাত্র অপারেশন পরিচালনার জন্য যে কুয়েরি তৈরি করা হয় তাকে Action Query বলে।

২৫. Action Query কয় ধরনের?

উত্তরঃ Action Query চার ধরনের।

২৬. Make Table Query কাকে বলে?

উত্তরঃ কুয়েরি করা ডেটাকে অন্য কোন টেবিলে সংরক্ষন করার জন্য যে কুয়েরি ব্যবহার করা হয় তাকে Make Table Query বলে।

২৭. Append Query কাকে বলে?

উত্তরঃ ডেটাবেজ টেবিলে এক বা একাধিক রেকর্ড সংযোজনের জন্য যে কুয়েরি ব্যবহার করা হয় তাকে Append Query বলে।

২৮. SQL Query কাকে বলে?

উত্তরঃ ডেটাবেজের এক বা একাধিক টেবিলের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট ডেটা খুজে বের করা, প্রদর্শন করা, প্রিন্ট করা, শর্ত সাপেক্ষে যে কোন কাজ করার জন্য SQL এর DDL এবং DML ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে SQL Query বলে।

২৯. সটিং কী?

উত্তরঃ সটিং হলো সাজানো।

৩০. ডেটাবেজ ইনডেক্সিং কী?

উত্তরঃ ডেটাবেজ টেবিলের ডেটাকে উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রম অনুসারে সাজানোকে ডেটার ইনডেক্সিং বলে।

৩১. ডেটাবেজ রিলেশন বলতে কী বুঝ?

উত্তরঃ একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্ককে ডেটাবেজের রিলেশন বলে।

৩২. ডেটাবেজ রিলেশন কয় ধরনের হতে পারে?

উত্তরঃ চার ধরনের হতে পারে।

৩৩. One to One রিলেশন কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি দুটি টেবিলের মধ্যে এমনভাবে রিলেশন স্থাপন করা হয় যে , কোন ডেটা টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সম্পর্ক থাকে তখন তাকে One to One রিলেশন বলে।

৩৪. One to Many রিলেশন কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি কোন ডেটাবেজের মধ্যে একাধিক ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অপর ফাইল এর একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্ক থাকে তখন তাকে One to Many রিলেশন বলে।

৩৫. Many to Many রিলেশন কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি কোন ডেটাবেজের মধ্যে একাধিক ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অপর ফাইল এর একাদিক রেকর্ডের মধ্যে সম্পর্ক থাকে তখন তাকে Many to Many রিলেশন বলে।

৩৬.ক্রিপ্টোগ্রাপি কী?

উত্তরঃ ডেটাকে এনক্রিপ্টশন ও ডিক্রিপ্টশন করার বিষয়কে ক্রিপ্টোগ্রাপি বলে।

৩৭. ডেটা এনক্রিপ্টশন কী?

উত্তরঃ অনুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখাই ডেটা এনক্রিপ্টশন।

৩৮.ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী?

উত্তরঃ প্রতিটি সাধারণ ঘটনাকে তথ্য বা ডাটা বলে। ডাটা শব্দের বহুবচন হলো ডাটাম। একটি ডেটাবেজ হলো কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহ।

৩৯. ইনডেক্সিং কী?

উত্তরঃ সুবিন্যস্তভাবে সঠিক নিয়মে তথ্য সমূহের সূচি তৈরিকে ইনডেক্সিং বলে। সঠিক তথ্যকে দ্রুত খুঁজে বের করতে ইনডেক্সিং ব্যবহার করা হয়।

৪০. ডেটাবেজ রিলেশন কী?

উত্তরঃ অনেকগুলো তালিকা বা টেবিল নিয়ে একটি ডেটাবেজ তৈরি হয়। এই টেবিলগুলো কোন না কোন সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ। তালিকা বা টেবিলগুলোর মধ্যে বিরাজমান এ সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলে।

৪১. কর্পোরেট ডেটাবেজ কী?

উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বিশেষ ধরনের প্রতিষ্ঠান যে বিশেষ পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে তাকে কর্পোরেট ডেটাবেজ বলে।

৪২. ডেটা সিকিউরিটি কী?

উত্তরঃ সামাজিকভাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে ইনফরমেশন সিস্টেমের গুরুত্ব যতই বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেটা ততোই বহুমুখী ঝুকির সম্মুখীন হচ্ছে এবং ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যান্ত জরুরী। অনাকাঙ্খিত ব্যক্তির হাত থেকে ডেটাকে মুক্ত রাখার পদ্ধতিকে বলা হয় ডেটা সিকিউরিটি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর -০৪

Eqra Coaching     মার্চ ০২, ২০১৮     No comments

Information Communication & Technology (ICT)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি 
৪র্থ অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) -০৪
১. ওয়েব পেইজ কী?

উত্তরঃ ওয়েব পেজ হলো এক ধরণের ওয়েব ডকুমেন্ট যা World Wide Web (WWW). ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার জন্য বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইলকে ওয়েব পেজ বলে।

২. ওয়েব পেইজ ডিজাইন কী?

উত্তরঃ ওয়েবপেজ হলো সারা বিশ্বে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত বিভিন্ন সার্ভারে (বড় ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার) রক্ষিত ফাইল, যা হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাংগুয়েজের (HTML) ওপর ভিত্তি করে তৈরিকৃত ডকুমেন্ট। ওয়েব ডিজাইন হলো নির্দিষ্ট বিষয় নির্ধারণ, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ওয়েবপেজ প্রদর্শন- এ তিনটি বিষয়ের সম্মিলিত রূপ।

৩. ডোমেইন নেম কী?

উত্তরঃ ক্যারেক্টার ফর্মে দেওয়া কম্পিউটারে এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলে।

৪. টপ লেভেল ডোমেইন কাকে বলে?

উত্তরঃ ডোমেইন নেমের ডট এর পরের অংশটিকে টপ লেভেল ডোমেইন বলা হয়।

৫. edu দ্বারা কী বোঝায়?

উত্তরঃ edu দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বুঝায়।

৬. ওয়েব কী?

উত্তরঃ ওয়েব হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করার একটি পথ বা ইন্টারনেটের একটি অ্যাপ্লিকেশন।

৭. ওয়েব সাইটের কাঠামো কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অবকাঠামোতে একটি ওয়েবসাইটের সকল তথ্য বা বিষয়বস্ত উপস্থাপন করা হয় তাকে ওয়েবসাইটের কাঠামো বলো। সমগ্র বিশ্বের নেটওয়ার্কের সাথে ওয়েবসাইটের নেটওয়ার্কও একই বন্ধনে বাঁধা।

৮. মূল পেইজ কী?

উত্তরঃ মূল পেইজ বা Home Page বলতে আমরা বুঝি, কোন ওয়েব সাইটে প্রবেশের পর প্রথম যে পেজ আমরা দেখতে পাই তাই হলো মূল পেইজ বা Home Page

৯. ডোমেইন নেম কী?

উত্তরঃ ডোমেইন নেম (Domain Name) আইপি অ্যাড্রেস নাম্বার দ্বারা লিখিত হয়। আইপি অ্যাড্রেসের জন্য সংখ্যা মনে রাখা কষ্টকর। তাই আইপি অ্যাড্রেসকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজী অক্ষরের কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেওয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।

১০. Browser কী?

উত্তরঃ ওয়েব ব্রাউজার হল এমন একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যেকোন ওয়েব-পেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোন ওয়েব সাইটের যেকোনো তথ্য দেখতে ও অনুসন্ধান করতে পারে।এক কথায় বলা যায় ওয়েব ব্রাউজার হল একটা ওয়েব পেজ দেখার বাহক মাত্র।

১১. ফরম্যাটিং কাকে বলে?

উত্তরঃ সঠিক এবং উপস্থাপনযোগ্য লেখা বা টেক্সটকে সঠিক আকৃতি বা রূপ প্রদান করে, দৃষ্টিনন্দন করে, উপস্থাপন করে, একটি ওয়েব পেজকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টাকে ফরম্যাটিং বলে।

১২. হাইপারলিং কী?

উত্তরঃ ওয়েবের ভাষায় বলতে গেলে হাইপারলিং হলো ওয়েবের একটি রিসোর্স অবস্থিত কোন রেফারেন্স (কোন ঠিকানা) যার সাহায্য পাঠক সরাসরি বা স্বতঃর্স্ফুতভাবে তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে।

১৩. www কী?

উত্তরঃ সমস্ত উন্মুক্ত ওয়েবসাইটগুলোকে সমষ্টিগতভাবে “World Wide Web” বা WWW বা বিশ্বব্যাপী জাল নাম দেওয়া হয়েছে। WWW হলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযোগযোগ্য ওয়েব পেইজ।

১৪. ওয়েবসাইট কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো ওয়েব সার্ভারের রাখা ওয়েব পেইজ, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে।

১৫. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেজ লোডিং বা চালু করার পর পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।

১৬. স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজের ফাইলের নামের বর্ধিতাংশ কী?

উত্তরঃ স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজের ফাইলের নামের বর্ধিতাংশ “htm” অথবা “html”।

১৭. ডাইনামিক ওয়েবসাইট কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেজ লোডিং বা চালু করার পর পরিবর্তন করা যায় না তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।

১৮. ডাইনামিক ওয়েব পেইজের ফাইলের নামের বর্ধিতাংশ কী?

উত্তরঃ ডাইনামিক ওয়েব পেইজের ফাইলের নামের বর্ধিতাংশ PHP, ASP, JSP।

১৯. বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ওয়েব সাইটকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তরঃ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ওয়েবসাইটকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

২০. লিনিয়ার স্ট্রাকচার কী?

উত্তরঃ যখন কোন ওয়েবসাইটের পেজগুলো ক্রমানুসারে করার স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলে।

২১. ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার কী?

উত্তরঃ যখন কোন ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সমস্ত ডকুমেন্টের পূর্নাঙ্গ চিত্র সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে সেই স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার বলে।

২২. হাইব্রিড বা মিশ্র স্ট্রাকচার কী?

উত্তরঃ যখন একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় সেই স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে হাইব্রিড বা মিশ্র স্ট্রাকচার বলে।

২৩. ওয়েব লিঙ্ক বা নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচার কী?

উত্তরঃ যখন ওয়েবসাইটে প্রতিটি পেইজের মধ্যে অন্য পেইজগুলো ল‌িঙ্ক করা থাকে সেই স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে হাইব্রিড বা মিশ্র স্ট্রাকচার বলে।

২৪. ইন্টারনেট বুলেটিন বোর্ড কী?

উত্তরঃ WWW কে ইন্টারনেটের বুলেটিন বোর্ড বলা হয়।

২৫. HTML কী?

উত্তরঃ ওয়েব পেইজ তৈরিতে একটি সাধারণ এবং সবচেয়ে বহুল ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে HTML। ১৯৮০ সালে টিম বার্নার্স লি HTML রচনা করেন। তখন শুধুমাত্র একটি পাতার সাথে আর একটি পাতার সংযোগ ঘটানো হতো। ১৯৮৫ সালে এ পদ্ধতির নাম ছিল SGML । পরবর্তী সময়ে এ ভাষার উন্নতির সাথে সাথে এতে নির্মিত ফাইল পড়ার উপযোগী ব্রাউজারের উন্নতি ঘটতে লাগলো বেশ দ্রুত। প্রথম দিকে Linux, VMS অপারেটিং সিস্টেমে। ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফট কোম্পানি Internet Explorer বাজারজাত করেন ওয়েব পেইজ ব্রাউজিং এর জন্য।

২৬. HTML এর মৌলিক বিষয় কয়টি ও কী কী?

উত্তরঃ HTML এর মৌলিক বিষয় ২টি । যথা – ট্যাগ ও অ্যাট্রিবিউট

২৭. HTML 4.0 এর সংস্করণ কবে বের হয়?

উত্তরঃ HTML 4.0 এর সংস্করণ April 1998 তে বের হয় ।

২৮. কে HTML নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন?

উত্তরঃ Sir Tim Berners Lee ওয়েব ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ HTML নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন।

২৯. কত সালে HTML নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন?

উত্তরঃ ১৯৮৯ সালে Sir Tim Berners Lee ওয়েব ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ HTML নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন।

৩০. ট্যাগ কী?

উত্তরঃ ফাইল তৈরী করা হয় কিছু ট্যাগ ও অ্যাট্রিবিউটের সমম্বয়ে। ট্যাগ যেকোন নির্দেশন সুনির্দিষ্ট করে দেয়।

৩১. অ্যাট্রিবিউট কী?

উত্তরঃ ট্যাগের নির্দেশন সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে অ্যাট্রিবিউট।

৩২. ফন্ট ফ্যামিলি কী?

উত্তরঃ একাধিক ফন্ট একই নামের ভিন্নতর সংস্করণ হিসেবে প্রকাশ করলে একটি ফন্ট ফ্যামিলি সৃষ্টি হয়।

৩৩. ওপেনিং ট্যাগ কী বোঝায়?

উত্তরঃ HTML কে ট্যাগের ভাষাও বলা হয় কারণ বিভিন্ন ট্যাগের সমন্বয়েই ডকুমেন্ট তৈরি হয়। প্রতিটি ট্যাগ তার নিজস্ব নাম অনুসরণ করে কৌনিক (<>) ব্রাকেটে শুরু বা ওপেন করতে হয় এবং একে শুরু বা ওপেনিং ট্যাগ বলে।

৩৪. হাইপারলিংক কী?

উত্তরঃ হাইপারলিংক হলো একটি ওয়েবপেইজের কোন অংশের সাথে বা পেইজের অন্য অন্যান্য পেইজের সংযোগ স্থাপন করে ।

৩৫. ওয়েব ব্রাউজিং কী?

উত্তরঃ www হলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযোগযোগ্য ওয়েব পেইজ। এই ওয়েব পেইজ পরিদর্শন করাকে ওয়েব ব্রাউজিং বলে।

৩৬. HTML এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ HTML এর পূর্ণরূপ Hyper Text Markup Language ।

৩৭. URL এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ URL এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator ।

৩৮. URL কাকে বলে?

উত্তরঃ URL হলো কোন ওয়েব সাইটের অ্যাড্রেসকে বুঝায়।

৩৯. Search কী?

উত্তরঃ ওয়েব পেইজ থেকে কোন কিছু খোঁজাকে Search বলে।

৪০. ফ্রেম কী?

উত্তরঃ প্রতিটি HTML ডকুমেন্ট ফ্রেম বলা হয়।

৪১. ফ্রেম সেট কী?

উত্তরঃ উইন্ডোতে কীভাবে ফ্রেম বিভক্ত করা হবে তা নির্ধারণ করতে “ফ্রেম সেট” ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।

৪২. ফ্রেম ট্যাগ কী?

উত্তরঃ HTML ডকুমেন্ট প্রতিটি ফ্রেমের মধ্যে কী রাখা হবে তা “ফ্রেম” ট্যাগ ব্যবহার করে নির্ধারণ করা হয়।

৪৩. হেডিং ট্যাগ কী?

উত্তরঃ HTML হেডিং ট্যাগের মাধ্যমে ফন্টকে বড় বা ছোট রূপ দেয়া যায়। এখানে ৬টি হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করা যায়। হেডিং ১ হচ্ছে সবচেয়ে বড় এবং এর ক্রমান্বয়ে হেডিং ৬ সবচেয়ে ছোট।

৪৪. ওয়েব সাইট পাবলিশিং কী?

উত্তরঃ কোনো ওয়েব সাইটকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়াকে ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলে।

৪৫. পরিকল্পনা অনুযায়ী ওয়েব সাইটকে তৈরি করাকে কী বলে?

উত্তরঃ পরিকল্পনা অনুযায়ী ওয়েব সাইটকে ডিজাইন করাকে ওয়েব ডিজাইন বলে।

৪৬. ওয়েবসাইটকে তৈরি হয় কী নিয়ে?

উত্তরঃ ওয়েবসাইটকে তৈরি হয় ওয়েব পেজ নিয়ে।

৪৭. তিনটি জনপ্রিয় ব্রাউজারের নাম লিখ?

উত্তরঃ তিনটি জনপ্রিয় ব্রাউজারের নামঃ
১. গুগোল ক্রম
২. মজিলা ফায়ার ফক্স
৩. অপেরা

৪৮. ওয়েব সার্ভার কী?

উত্তরঃ ওয়েব সার্ভার হলো বিশেষ ধরণের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।

১ মার্চ, ২০১৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর -০৩

Eqra Coaching     মার্চ ০১, ২০১৮     No comments

Information Communication & Technology (ICT)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি 
৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর



তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) -০৩
০১। সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো কিছু গণনা করে তা প্রকাশ করার জন্য কতিপয় সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।কোন সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

০২। পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

উত্তরঃ বর্তমানে যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তা হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

০৩। নন পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

উত্তরঃ নন-পজিশনাল একটি প্রাচীন পদ্ধতি।বর্তমানের এই সংখ্যা পদ্ধতির ব্যবহার নেই বললেই চলে।

০৪। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

উত্তরঃ 0 হতে 9 পর্যন্ত দশটি মৌলিক চিহ্ন নিয়ে যে সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

০৫। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক কয়টি?

উত্তরঃ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক 10টি।

০৬। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বেজ কত?

উত্তরঃ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির বেজ 10।

০৭। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

উত্তরঃ 0 হতে 1 পর্যন্ত এই দুই অংক বিশিষ্ট চিহ্ন নিয়ে যে সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

০৮। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক কয়টি?

উত্তরঃ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক 2টি।

০৯। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বেজ কত?

উত্তরঃ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ২।

১০। অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

উত্তরঃ 0 হতে 7 পর্যন্ত মোট 8টি সংখ্যা চিহ্ন নিয়ে যে সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত তাকে অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

১১। অকটাল সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক কয়টি?

উত্তরঃ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক 8টি।

১২। অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি বেজ কত?

উত্তরঃ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ 8।

১৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

উত্তরঃ 0 হতে 9 ও A হতে F পর্যন্ত মোট ষোলটি চিহ্ন বা সংখ্যা নিয়ে যে সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

১৪। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট অংক বা চিহ্ন কয়টি?

উত্তরঃ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির মোট অংক 16টি।

১৫। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বেজ কত?

উত্তরঃ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ 16।

১৬। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি অংকগুলো কী কী?

উত্তরঃ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির অংকগুলো হলোঃ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E এবং F

১৭। 12 সংখ্যার বাইনারি মান কত?

উত্তরঃ 12 সংখ্যার বাইনারি মান 1100

১৮। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা কাকে বলে?

উত্তরঃ চিহ্ন বা সাইনযুক্ত সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত বা সাইনযুক্ত সংখ্যা বলে।

১৯। 1 এর পরিপূরক কত?

উত্তরঃ 1 এর পরিপূরক 0।

২০। 2 এর পরিপূরক কী?

উত্তরঃ কোন বাইনারি সংখ্যার 1 এর পরিপূরক এর সাথে 1 যোগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে 2- পরিপূরক বলে।

২১। কোড কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বা সংকেতের মাধ্যমে বর্ণ, অংক ও সংখ্যাগুলোকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হয় তাকে কোড বলে।

২২। BCD কোড এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তরঃ BCD কোড এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal।

২৩। BCD কোড কী?

উত্তরঃ BCD একটি 4 বিট বাইনারি ভিত্তিক কোড। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যারকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য এ কোড ব্যবহার করা হয়।

২৪। EBCDIC এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তরঃ EBCDIC এর পূর্ণরূপ Extended Binary Coded Decimal Interchange Code।

২৫। EBCDIC কোড কী।

উত্তরঃ EBCDIC কোড হলো আট বিটের বিসিডিক কোড।

২৬। আলফানিউমেরিক কোড কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের জন্য তথ্য বা নির্দেশকে কয়েক ধরনের চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়।এর একটি হলো বর্ণমালার অক্ষর, যেমন- a-z, A-Z এবং অন্যটি সংখ্যা যেমন, 0-9, এবং আর একটি হলো বিশেষ চিহ্ন (যেমন- !, @, $, # ) ইত্যাদি। এ বিভিন্ন ধরনের চিহ্নিত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।

২৭। ASCII এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তরঃ ASCII এর পূর্ণরূপ American Standard Code Information Interchange ।

২৮। অ্যাসকি কোড কী?

উত্তরঃ অ্যাসকি হলো একটি বহুল প্রচলিত 7 বিট কোড।যার বাম দিকের ৩টিকে জোন এবং ডানদিকের 4টি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট বলে।

২৯। ইউনিকোড কাকে বলে?

উত্তরঃ বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলে।

৩০। ইউনিকোড কত বিটের কোড?

উত্তরঃ ইউনিকোড 16 বিটের কোড।

৩১। জর্জ বুল কে?

উত্তরঃ জর্জ বুল একজন ইংরেজ গণিতবিদ তিনি গণিত ও যুক্তির মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট বর্ণনা প্রদান করেন।তিনি “ম্যাথামেটিক্যাল অফ লজিক” নামে তাঁর একটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করেন।

৩২। বুলিয়ান অ্যালজেবরা কী?

উত্তরঃ জর্জ বুল “ম্যাথামেটিক্যাল অফ লজিক” নামে তাঁর একটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করেন।ঐ গ্রন্থে যে যুক্তির ধারণা পাওয়া যায় তার নামানুসারে ঐ অ্যালজেবরার নামকরণ করা হয় বুলিয়ান অ্যালজেবরা।

৩৩। বুলিয়ান অ্যাজেবরার দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।

উত্তরঃ নিম্নে বুলিয়ান অ্যাজেবরার দুটি বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো:
১। বুলিয়ান অ্যাজেবরায় শুধু 1 ও 0 দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
২। এ অ্যালজেবরায় শুধু যৌক্তিক গুন ও যোগের সাহায্যে গাণিতিক কাজ করা যায়।

৩৪। বুলিয়ান চলক কী?

উত্তরঃ ডিজিটাল লজিকে দুই ধরণের বাইনারি অংক যথা 0 ও 1 ব্যবহৃত হয় এই অংক গুলোকে বুলিয়ান চলক বলে। বুলিয়ান চলকের মান ০ ও ১ হতে পারে।

৩৫। বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ কী কী নিয়ম মেনে চলে?

উত্তরঃ বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধসমূহ যৌক্তিক যোগ ও গুনের নিয়ম মেনে চলে।

৩৬। বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ কাকে বলে?

উত্তরঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণের সাহায্যে সমস্ত অংক করা যায়।যোগ ও গুনের ক্ষেত্রে বুলিয়ান অ্যালজেবরা কতকগুলো নিয়ম মেনে চলে।এ নিয়মগুলোকে বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে।

৩৭। দ্বৈত নীতি কী?

উত্তরঃ AND এবং OR অপারেশনের সাথে সম্পর্কযুক্ত সূত্রকে দ্বৈত নীতি বলে।

৩৮। বুলিয়ান পূরক কাকে বলে?

উত্তরঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যেকোন চলকের মান 0 বা 1 হতে পারে।এ 0 এবং 1 কে একটি অপরটি বুলিয়ান পূরক বলা হয়।

৩৯। সত্যক সারণি কী?

উত্তরঃ যে সকল টেবিল বা সারণির মাধ্যমে বিভিন্ন গেইটের ফলাফল প্রকাশ করা হয় অর্থাৎ লজিক সার্কিটের ইনপুটের উপর আউটপুটের ফলাফল প্রকাশ করা হয় তাকে সত্যক সারণি বলে।

৪০। লজিক গেইট কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব ডিজিটাল সার্কিট যুক্তিমূলক সংকেতের প্রবাহ সে সব সার্কিটকেই লজিক গেইট বলে।

৪১। মৌলিক গেইট কয়টি?

উত্তরঃ মৌলিক গেইট তিনটি।

৪২। মৌলিক গেইট কী কী?

উত্তরঃ মৌলিক গেইট AND, OR ও NOT।

৪৩। সর্বজনীন গেইট কয়টি ও কী কী?

উত্তরঃ সর্বজনীন গেইট দুটি। NAND ও NOR।

৪৪। ডিজিটাল ডিভাইস কাকে বলে?

উত্তরঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরা যা থেকে বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব তাকে ডিজিটাল ডিভাইস বলে।

৪৫। এনকোডার কী?

উত্তরঃ এনকোডার হল একটি বর্তনী যা মানুষের বোধগোম্য ভাষা বা কোডকে কম্পিউটারের বোধগোম্য ভাষা বা কোডে রুপান্তর করে।

৪৬। ডিকোডার কী?

উত্তরঃ ডিকোডার হল একটি বর্তনী যা কম্পিউটারের বোধগোম্য ভাষা বা কোডকে মানুষের বোধগোম্য ভাষা বা কোডে রুপান্তর করে।

৪৭। অ্যাডার কী?

উত্তরঃ অ্যাডার বা যোগবর্তনী হলো বাইনারী সংখ্যার যোগ বাস্তবায়নকারী ডিজিটাল বর্তনী।

৪৯। হাফ অ্যাডার কী?

উত্তরঃ যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও ক্যারি বের করতে পারে তাকে হাফ অ্যাডার বলে।

৫০। ফুল অ্যাডার কী?

উত্তরঃ যে বর্তনীর সাহায্যে তিনটি বাইনারি বিট যোগ করার পর দুটি আউটপুট সংকেত যার একটি যোগফল এবং আউটপুট ক্যারি পাওয়া যায় তাকে ফুল অ্যাডার বলে।

৫১। বাইনারি অ্যাডার কী?

উত্তরঃ যে অ্যাডার দুটি বাইনারি সংখ্যাকে যোগ করতে পারে তাকে বাইনারি অ্যাডার বলে।

৫২। রেজিস্টার কাকে বলে?

উত্তরঃ রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতি সম্পন্ন মেমোরি।

৫৩। শিফট রেজিস্টার কী?

উত্তরঃ যে রেজিস্টার বাইনারি তথ্যকে ডানদিকে বা বামদিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফট রেজিস্টার বলে।

৫৪। শিফট রেজিস্টার কয় ধরণের হয়?

উত্তরঃ শিফট রেজিস্টার কয়েক ধরণের হতে পারে। যেমনঃ শিফট লেফট, শিফট রাইট এবং কন্টোলড শিফট।

৫৫। কাউন্টার কী?

উত্তরঃ কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যাতে দেওয়া ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।

৫৬। বাইনারি কাউন্টার কাকে বলে?

উত্তরঃ যে কাউন্টার বাইনারি ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।

৫৭। মোড কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি কাউন্টার প্রথম ধাপ থেকে শুরু করে আবার প্রথম ধাপে ফিরে আসতে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন হয় তাকে ঐ কাউন্টারের মোড বলে।

৫৮। সিনক্রোনাস কাউন্টার কী?

উত্তরঃ যে কাউন্টারে একটি মাত্র ক্লক পালস সবগুলো ফ্লিপ ফ্লপের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় তাকে সিনক্রোনাস কাউন্টার বলে।

৫৯। এসিনক্রোনাস কাউন্টার কী?

উত্তরঃ যে কাউন্টারে একটি ফ্লিপ ফ্লপের আউটপুট অন্যটির ক্লক পালস হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে এসিনক্রোনাস কাউন্টার বলে।

৬০। রিপল আপ কাউন্টার কী?

উত্তরঃ যে কাউন্টারে ছোট নম্বর থেকে বড় নম্বরের দিকে পর্যায়ক্রমিক গণনা করা হয় তাকে রিপল আপ কাউন্টার বলে।

৬১। ফ্লিপ ফ্লপ কাকে বলে?

উত্তরঃ ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত এক ধরণের যন্ত্র যা উপাত্ত সঞ্চিত রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। ইলেকট্রনিক তথ্য প্রযুক্তির ধারাবাহিক যুক্তি তন্ত্রে এই যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়। এক ল্যাচ এক বিট পরিমান তথ্য ধারণ করতে পারে।

পোষ্টের ধরন

আমাদের ফ্যান পেজ লাইক করুন

ইসলামিক রিসার্চ সমৃদ্ধ ফ্যান পেজ

বর্তমান পরিদর্শকের মোট সংখ্যা

Subscribe to Newsletter

We'll never share your Email address.
© 2018 Eqra Coaching. Eqra Designed by Eqra. Powered by Eqra.